যে ব্যক্তি আল্লাহর ঘর নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন।
আপডেট
🌿 “নিশ্চয়ই আল্লাহর মসজিদসমূহ আবাদ করে তারাই, যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে।” — সূরা আত-তাওবা: ১৮ ◆ 🌙 “সালাত কায়েম করুন এবং আল্লাহকে স্মরণ করুন—নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।” — সূরা আর-রাদ: ২৮ ◆ 🕋 “হে মুমিনগণ! তোমরা রুকু করো, সিজদা করো এবং তোমাদের রবের ইবাদত করো।” — সূরা আল-হাজ্জ: ৭৭ ◆ 🤲 আসুন মসজিদকে আবাদ করি—নিজে নামাজ পড়ি, পরিবারকে নামাজে উৎসাহিত করি এবং অন্যদেরও কল্যাণের পথে আহ্বান করি। ◆ 🌙 দুনিয়ার ব্যস্ততার মাঝে একটু থামুন—আল্লাহর ঘরে ফিরে আসুন। সালাতের মাধ্যমে রবের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করুন। ◆ ✨ আপনার একটি পদক্ষেপ মসজিদের দিকে—আল্লাহর নৈকট্যের পথে একটি সুন্দর যাত্রা। ◆
🕊️ শোকবার্তা
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। গভীর শোকের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সম্মানিত সভাপতি, জমিদাতা, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মৌলভী মোঃ জুবেদ আলী সাহেব গত ২ অক্টোবর ২০২৬ ইং, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে সিকেডি ইউরোলজী হাসপাতাল (সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস ইউরোলজি হসপিটাল), শ্যামলী, ঢাকা-তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর ইন্তেকালে ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। মরহুম মৌলভী মোঃ জুবেদ আলী সাহেব ছিলেন মসজিদের একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষী। মসজিদের জমিদাতা এবং সভাপতি হিসেবে তিনি মসজিদের উন্নয়ন, পরিচালনা ও ধর্মীয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনায় মসজিদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও দ্বীনি খেদমত আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ইন্তেকালে আমরা একজন শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবক, দ্বীনি খেদমতগার ও মসজিদের নিবেদিতপ্রাণ সেবককে হারালাম। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। আমরা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা তাঁর জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিন, নেক আমলগুলো কবুল করুন, কবরকে নূরে পরিপূর্ণ করুন এবং মসজিদের জন্য তাঁর অবদানকে তাঁর নাজাতের উসিলা হিসেবে কবুল করুন। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে সবরে জামীল দান করুন। আমিন, ইয়া রাব্বাল আলামিন। শোক প্রকাশে ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও মুসল্লিবৃন্দ। মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনায় সকলের নিকট বিশেষভাবে দোয়ার আবেদন রইল। আমিন, ইয়া রাব্বাল আলামিন।
ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ
নামাজ ও ইবাদত ড্যাশবোর্ড
--:--:--
সময় ও তারিখ লোড হচ্ছে...
আজকের নামাজের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে...
☀️ সূর্য ও রাতের সময়
সূর্যোদয়—
সূর্যাস্ত—
শেষ এক-তৃতীয়াংশ / তাহাজ্জুদ—
🤲 আজকের দোয়া · 📜 আজকের হাদিস · ☪️ আজকের ইসলামী তারিখ
আজকের দোয়াرَبِّ زِدْنِي عِلْمًا
হে আমার রব, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।
আজকের হাদিস“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।”
সহিহ বুখারি: ৬০১৮; সহিহ মুসলিম: ৪৭
আজকের ইসলামী তারিখ—
Asia/Dhaka · সময় ও নামাজের সময় প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়

বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ

বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ
  • জনসাধারণের জন্য নিরাপদ ও পানযোগ্য পানির ব্যবস্থা।


প্রকল্পের পটভূমিঃ-

বিশুদ্ধ পানি মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু ভাটি সাভার ও আশেপাশের গ্রামাঞ্চলের অনেক পরিবার আজও বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির নিশ্চিত উৎস থেকে বঞ্চিত। আর্সেনিক দূষণ, নলকূপের স্বল্পতা এবং পানি পরিশোধনের সুবিধা না থাকায় অনেক মানুষ দূষিত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এই মানবিক সংকট উপলব্ধি করে জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা এলাকাবাসীর সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণে “বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প” চালু করেছে।

 

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ-

লক্ষ্য ০১: এলাকার সকল পরিবারকে বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির সহজলভ্য সুযোগ দেওয়া

লক্ষ্য ০২: দূষিত পানি থেকে সৃষ্ট পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করা

লক্ষ্য ০৩: দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা

লক্ষ্য ০৪: পানি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা

 

প্রকল্পের কার্যক্রমঃ-

  • বিশুদ্ধ পানির পয়েন্ট স্থাপন— মাদরাসা প্রাঙ্গণে ও কৌশলগত স্থানে পরিশোধিত পানি সংগ্রহের কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যেখান থেকে যেকোনো মানুষ বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি নিতে পারেন।
  • গভীর নলকূপ স্থাপন— আর্সেনিকমুক্ত গভীর নলকূপ খনন করে বহু পরিবারের পানির চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে।
  • পানি পরীক্ষা ও মনিটরিং— নিয়মিতভাবে পানির মান পরীক্ষা করে আর্সেনিক ও জীবাণুমুক্ততা নিশ্চিত করা হয়।
  • সচেতনতামূলক প্রচারণা— পানি ফুটিয়ে পান করা, হাত ধোওয়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে এলাকাবাসীকে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সহায়তা— বৃদ্ধ, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বাড়িতে পানি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

 

পানি সরবরাহের ধাপসমূহঃ-

  • গভীর নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করা হয়
  • ফিল্টার ও পরিশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি বিশুদ্ধ করা হয়
  • পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করে বিতরণ কেন্দ্রে রাখা হয়
  • এলাকাবাসীকে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে বিতরণ করা হয়

 

উপকারভোগী ও প্রভাবঃ-

  • দরিদ্র পরিবার
  • শিশু ও নারী
  • বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তি
  • মাদরাসার শিক্ষার্থী

বিশুদ্ধ পানি শুধু তৃষ্ণা মেটায় না — এটি একটি পরিবারের সুস্বাস্থ্য, সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং একটি সমাজের মঙ্গল নিশ্চিত করে। নবী করীম (সা.) বলেছেন, “সর্বোত্তম সদকা হলো পানি পান করানো।” — (ইবনে মাজাহ)

 

আপনিও অংশীদার হোনঃ-

এই প্রকল্পকে আরও বিস্তৃত করতে আমাদের প্রয়োজন সহৃদয় মানুষদের সহায়তা। একটি গভীর নলকূপ স্থাপন, ফিল্টার মেশিন ক্রয় বা পানি বিতরণ কেন্দ্রের খরচ বহনে আপনার ছোট অবদানও হতে পারে অনেক পরিবারের জন্য বড় নেয়ামত।

যে কোনো ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশী বা দাতা সংস্থা এই মানবিক কার্যক্রমে অর্থ, যন্ত্রপাতি বা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে অংশ নিতে পারেন।

হোয়াটসাঅ্যাপ চ্যাট
মেসেঞ্জার চ্যাট
লোডিং হচ্ছে...